Skip to content
একটি সম্পূর্ণ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

আজ শনিবার,
১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে মে, ২০২০ ইং, ৬ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী, গ্রীষ্মকাল,
এখন বাংলাদেশ মান সময় রাত ১:৪০ মিনিট

 এযাবৎ 34 টি গ্রন্থ হতে 988 টি রচনা প্রকাশিত হয়েছে।

প্রাককথন

যে কথাটি সবার আগে বলা দরকার, তাহলো বঙ্কিম রচনাবলী মৌলিক কোন কাজ নয়, অবিকল না হলেও এটি সম্পূর্ণরূপে নকল। কেননা, একটি শব্দকোষ তৈরী করতে যে পরিমাণ মেধা, শ্রম এবং সময়ের প্রয়োজন তার কিছুই আমার নেই। তবু এই দুঃসাধ্য কাজে হাত দিয়েছি। বাংলায় চাহিদা মেটানোর মতো অনলাইন শব্দকোষ নেই। তাই মনে করেছি, একটি অনলাইন শব্দকোষ তৈরী করবো। কাজ শুরু করার পর বুঝলাম, এইকাজ সহজসাধ্য তো নয়ই, প্রায় অসম্ভব। বাধ্য হয়ে, জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের বাঙ্গালা ভাষার অভিধানের অনলাইন ভার্ষণ তৈরীতে হাত দিলাম। এরপর হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষ, সংসদ বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি প্রকাশিত অভিধান ও অন্যান্য প্রসিদ্ধ, অপ্রসিদ্ধ অভিধান, মোটকথা যা হাতের কাছে পেয়েছি তার থেকেই নকল করে এই শব্দকোষটি তৈরি করেছি। মনের আনন্দে কাজ করেছি, ভালোমন্দ, গ্রহনীয়-অগ্রহণীয়, কী রকম হবে তা ভাববার ফুরসৎ পাইনি। আশাকরি, ত্রুটিতে ভরা এই কাজটিকে ত্রুটিমুক্ত করতে বোদ্ধা পাঠকেরা এগিয়ে আসবেন। ধন্যবাদান্তে—
— তাহের আলমাহদী

বঙ্কিম রচনাবলীর বৈশিষ্ট্য

☛ চর্যাপদ থেকে আধুনিককালে প্রকাশিত গ্রন্থে ব্যবহৃত শব্দসমূহকে ভুক্তি করা হয়েছে;
☛ বিভিন্ন প্রামাণ্য অভিধানের আলোকে বাংলা শব্দসমূহের অর্থ গ্রহন করা হয়েছে;
☛ বাংলাদেশ ও বাংলাভাষী অঞ্চলসমূহে ব্যবহৃত আঞ্চলিক/উপভাষাসমূহ থেকে ভুক্তি গ্রহন করা হয়েছে;
☛ বাংলাদেশ ও বাংলাভাষী অঞ্চলের উপজাতীয় ভাষাসমূহের শব্দকে ভুক্তি করা হয়েছে;
☛ একই বর্ণমালায় লিখিত বলে অসমিয়া ও বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী ভাষার শব্দকে ভুক্তি করা হয়েছে।
☛ বিশেষ ভাবে বাঙলা শব্দের বিবর্তন ও যতদূর সম্ভব প্রথম ব্যবহার দেখানো হয়েছে।
☛ প্রতিটি শব্দের প্রমিতবানান ও উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে।
☛ যতদূর সম্ভব ভুক্তির সমাস ও ব্যাসবাক্য উল্লেখ করা হয়েছে।
☛ কুরআনে ব্যবহৃত আরবী শব্দসমূহকে ভুক্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রমিত রীতিতে প্রতিবর্ণায়ন করা হয়েছে।

নির্বাচিত রচনা

  • (অসম্পূর্ণ)

    লিখিবার ভাষা

    প্রায় সকল দেশেই লিখিত ভাষা এবং কথিত ভাষায় অনেক প্রভেদ। যে সকল বাঙ্গালী ইংরেজী সাহিত্যে পারদর্শী, তাঁহারা একজন লণ্ডনী কক্‌নী বা একজন কৃষকের কথা সহজে বুঝিতে পারেন না, এবং এতদ্দেশে অনেক দিন বাস করিয়া বাঙ্গালীর সহিত কথাবার্ত্তা কহিতে কহিতে যে ইংরেজেরা বাঙ্গালা শিখিয়াছেন, তাঁহারা প্রায় একখানিও বাঙ্গালাগ্রন্থ বুঝিতে পারেন না। প্রাচীন ভারতেও সংস্কৃতে ও প্রাকৃতে, আদৌ বোধ হয়, এইরূপ প্রভেদ ছিল, এবং সেই প্রভেদ হইতে আধুনিক ভারতবর্ষীয় ভাষাসকলের উৎপত্তি।

    বাঙ্গালার লিখিত এবং কথিত ভাষায় যতটা প্রভেদ দেখা যায়, অন্যত্র তত নহে। বলিতে গেলে, কিছু কাল পূর্ব্বে দুইটি পৃথক্ ভাষা বাঙ্গলায় প্রচলিত ছিল। একটির নাম সাধুভাষা; অপরটির নাম অপর ভাষা। একটি লিখিবার ভাষা, দ্বিতীয়টি কহিবার ভাষা। পুস্তকে প্রথম ভাষাটি ভিন্ন, দ্বিতীয়টির কোন চিহ্ন পাওয়া যাইত না। সাধুভাষায় অপ্রচলিত সংস্কৃত শব্দসকল বাঙ্গালা ক্রিয়াপদের আদিম রূপের সঙ্গে সংযুক্ত হইত। যে শব্দ আভাঙ্গা সংস্কৃত নহে, সাধুভাষায় প্রবেশ করিবার তাহার কোন অধিকার ছিল না। লোকে বুঝুক বা না বুঝুক, আভাঙ্গা সংস্কৃত চাহি। অপর ভাষা সে ...

সহপ্রকল্প

বঙ্কিম রচনাবলী ছাড়াও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এডুলিচার আরও বেশ কিছু উন্মুক্ত প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে:
বিদ্যাসাগর রচনাবলী বঙ্কিম রচনাবলী রবীন্দ্র রচনাবলী শরৎ রচনাবলী জীবনানন্দ রচনাবলী নজরুল রচনাবলী সুকুমার রচনাবলী সুকান্ত রচনাবলী এডুলিচার সরসগল্প এডুলিচার শব্দকোষ
Scroll Up