পৃ. ৩, পংক্তি ২২, “ইহজন্মের” স্থলে দ্বিতীয় সংস্করণে “এ জন্মেরই” আছে।
পৃ. ৪, পংক্তি ২৫, “শরীর রক্ষা ও” স্থলে “শারীরিক ও মানসিক” আছে।
পৃ. ৫, পংক্তি ১, “ইহজন্মকৃত” স্থলে “এই জন্মকৃত” আছে।
পংক্তি ২, “অবশ্য।” কথাটির পর একটি *-চিহ্ন এবং পাদটীকায় আছে —
* মানুষের যে সকল সুখ দুঃখ আছে, মানুষের স্বকৃত কর্ম্ম ভিন্ন তাহার অন্য কারণও আছে। সে কথা স্থানান্তরে বলিব।
পৃ. ৫, পংক্তি ১৬, “দ্বিজবর্ণের” স্থলে “দ্বিজাতির” আছে।
* সত্য বটে যে সুখদুঃখের বাহ্য অস্তিত্ব না থাকিলেও ইহা স্বীকার করিতে হইবে যে উভয়ই বাহ্য অস্তিত্বযুক্ত কারণের অধীন। তাহা হইলেও সুখদুঃখরূপ মানসিক অবস্থা যে অনুশীলনের অধীন এ কথা অপ্রমাণ হইতেছে না।
পৃ. ১০, পংক্তি ৬, “এককালীন” স্থলে “সম্পূর্ণ” আছে।
পৃ. ১০, পংক্তি ১১-১২, “তজ্জনিত স্ফূর্ত্তি ও পরিণতি।” স্থলে আছে—
তজ্জনিত স্ফূর্ত্তি, অবস্থার উপযোগী প্রয়োজনসিদ্ধি ও পরিণতি।
পৃ. ১০, পংক্তি ১৩, “পরস্পর সামাঞ্জস্য” স্থলে “পরস্পর অবস্থোপযোগী সামঞ্জস্য”।
পৃ. ১০, পংক্তি ১৪, “তাদৃশ অবস্থায়” কথা দুইটির পর “কার্য্য সাধন দ্বারা” আছে।
পৃ. ১০, পংক্তি ২২, “সে কখনও ধার্ম্মিক নহে।” কথাগুলির পর একটি *-চিহ্ন এবং পাদটীকায় আছে—
* পূর্ব্বপুরুষকৃত কর্ম্মের ফলাফল বাদ দিয়া এ কথা বলিতে হয়; দেশকালপাত্রভেদ বাদ দিয়াও এ কথা বলিতে হয়। সে সকল কথার মীমাংসা দ্বারা ধর্ম্মতত্ত্ব জটিল করিবার এক্ষণে প্রয়োজন নাই।
পৃ. ১২, পংক্তি ৬-১৮, এই কয় পংক্তির স্থলে আছে—
গুরু। যাহা থাকিলে মানুষ মানুষ, না থাকিলে মানুষ মানুষ নয়, তাহাই মানুষের ধর্ম্ম।
শিষ্য। তাহার নাম কি?
গুরু। মনুষ্যত্ব।
পৃ. ১২, পংক্তি ২০-২১, “গুরু। মনুষ্যত্ব বুঝিলে বুঝিবার আগে বৃক্ষত্ব বুঝ। কথা কয়টি স্থানে আছে—
শিষ্য। কাল আপনি আজ্ঞা করিয়াছিলেন যে যাহা থাকিলে মানুষ মানুষ হয়, না থাকিলে মানুষ মানুষ নয়, তাহাই মানুষের ধর্ম্ম। এ একটা কথার মার পেঁচ বলিয়া বোধ হইতেছে। কেন না মানুষ জন্মিলেই মানুষ, মরিলে আর মানুষ নয়—তস্মরাশি ধূলারাশি মাত্র। অতএব আমি বলিব যে জীবন থাকিলেই মানুষ মানুষ, নহিলে মানুষ মানুষ নয়। বোধ হয় তাহা আপনার উদ্দেশ্য নহে।
গুরু। দুগ্ধপোষ্য শিশুরও জীবন আছে, সে কি মানুষ?
শিষ্য। নয় কেন? কেবল বয়স কম। ছোট মানুষ।
গুরু। মানুষে যা পারে, সে সব পারে?
শিষ্য। কোন মনুষ্যই কি তা পারে? ঐ ভারীর কাঁধে যে জলের ভার তাহা মনুষ্য বহিতেছে। উস্তলিজ্ বা লিউথেলের রণজয় মনুষ্যে করিয়াছিল। লিয়র বা কুমারসম্ভব মনুষ্যে প্রণীত করিয়াছে। আমি মনুষ্য—আপনি কি এ সকল পারেন? অথবা অন্য কোন মনুষ্যের নাম করিতে পারেন যে এই সকল কার্য্যগুলিই পারে?
গুরু। আমি পারি না। আমি এমন কোন মানুষের নাম করিতে পারিতেছি না যে পারে। তবে এ কথা আমি বলিতে প্রস্তুত নহি যে কোন মনুষ্য কখন জন্মিবে না যে একা এ সকল কাজ পারিবে না; অথবা এমন কোন মনুষ্য কখন জন্মে নাই যে মনুষ্যে সাধ্য সমস্ত কাজ একা পারিত না।
শিষ্য। পারিত যদি—ত পারে নাই কেন?
গুরু। আপনার ক্ষমতার অনুশীলনের অভাবে।
শিষ্য। ইহাতেও কিছুই বুঝিলাম না, কি থাকিলে মানুষ মানুষ হয়। আপনার শক্তির অনুশীলনে? বর্ব্বর, যাহার কোন শক্তিই অনুশীলিত হয় নাই, তাহাকে কি মানুষ বলিবেন না?
গুরু। এমন কোন বর্ব্বর পাইবে না যাহার কোন শক্তি অনুশীলিত হয় নাই। প্রস্তরযুগের মানুষদিগেরও কতকগুলি শক্তি অনুশীলিত হইয়াছিল, নহিলে তাহারা পাথরের অস্ত্র গড়িতে পারিত না। তবে কথাটা এই যে তাহাদের মনুষ্য বলিব কি না? সে কথায় উত্তর দিবার আগে বৃক্ষ কি বুঝাই। মনুষ্যত্ব বুঝিবার আগে বৃক্ষত্ব কি বুঝ।
পৃ. ১৩, পংক্তি ৩, “মনুষ্যের সকল বৃত্তিগুলি” কথা কয়টির পর “অনুশীলিত হইয়া” কথা দুইটি আছে—
পৃ. ১৩, পংক্তি ৬, “চিপেবার সে মনুষ্যত্ব নাই।” কথাগুলির পর আছে—
শিষ্য। বংশ বা বীজ কি তাহার একটা প্রধান কারণ নহে?
গুরু। সে কথা এখন থাক্। যাহা অমিশ্র তাহা বুঝ। তার পর যাহা বিমিশ্র তাহা বুঝিও।
পৃ. ১৪, পংক্তি ১৩, “যে শিশু দেখিতেছে,” কথা কয়টির পরিবর্ত্তে আছে—
যে শিশুর কথা বলিলে…
পৃ. ১৪, পংক্তি ১৯, “কখন হয় নাই।” কথা কয়টির স্থলে ছিল—
হইয়াছে এমন কথা আমরা জানি না,
পৃ. ১৭, পংক্তি ২, “লেখকদিগের” কথাটির স্থলে ছিল—
ইতিহাস পুরাণাদির রচয়িতৃগণের
পৃ. ১৮, পংক্তি ৪, “ঈশ্বরানুকৃত” কথাটি নাই।
১৬-৭, “ধর্ম্মেতিহাসের প্রকৃত আদর্শ … প্রক্ষিপ্তাংশ বাদে সারভাগ।” এই অংশ নাই।
পৃ. ১৮, পংক্তি ২২, “খ্রীষ্টিয়ানের আদর্শ, শাক্যসিংহ বৌদ্ধের আদর্শ।” কথা কয়টির স্থলে আছে—
খ্রিষ্টিয়ানের আদর্শ এককালে ছিলেন, শাক্যসিংহ বৌদ্ধের আদর্শ ছিলেন।
পৃ. ২৬, পংক্তি ১২, “কেন, আমি বুঝিতে পারি না।” স্থলে আছে—
না করিলেও চলে।
পৃ. ২৮, পংক্তি ৮, প্রথম “কোন” কথাটি নাই।
পৃ. ৩২, পংক্তি ১১, “সকলেই কামনা করে।” কথা কয়টির পর একটি *-চিহ্ন এবং পাদটীকায় আছে—
* ক্ষিপ্রং হি মানুষে লোকে সিদ্ধির্ভবতি কর্ম্মজা। গীতা, ৪।১২
পৃ. ৩৭, পংক্তি ৮, “এমন সম্ভব।” কথা দুইটির পর একটি *-চিহ্ন এবং পাদটীকায় আছে—
* প্রাচীন বয়সে সে কাহারও কাহারও অনুশীলিত বৃত্তিরও দুর্ব্বলতা দেখা যায়, প্রায় তাহার তাহা শারীরিক দুরবস্থাপ্রযুক্ত। শারীরিক বৃত্তির উপযুক্ত অনুশীলন হয় নাই। নইলে সকলের হয় না কেন?
পৃ. ৪১, পংক্তি ১৭, “ইতি গজঃ” কথা দুইটির পর একটি *-চিহ্ন এবং পাদটীকায় আছে—
* “অশ্বত্থামা হত ইতি গজঃ” এমন কথাটা মহাভারতে নাই। “হতঃকুঞ্জরঃ” এই কথাটা আছে।
পৃ. ৪২, পংক্তি ২২, “উভয়ের রক্ষার কথা।” কথা কয়টির পর আছে—
এবং ধর্ম্মোন্নতির পথ মুক্ত রাখিবারও কথা। তাহা বুঝাইতেছি।
পৃ. ৪২, পংক্তি ২৮, “উৎপীড়ন” কথাটির স্থলে “উদাহরণ” আছে।
পৃ. ৪৭, পংক্তি ২২, “অনুশীলনে সুখ,” কথা দুইটির মধ্যে “যে” কথাটি আছে।
পৃ. ৫০, পংক্তি ১৪, “শাসনকর্ত্তারূপ” কথাটির স্থলে “শাসনকর্ত্তৃরূপ”।
পৃ. ৫২, পংক্তি ১৯, ২০, “তিনটি” কথাটি দুই স্থলেই “দুইটি” আছে।
১৯, “ভক্তি প্রীতি দয়া” স্থলে “ভক্তি ও প্রীতি”।
২০, “দয়া” কথাটি নাই।
২১, “এবং আর্ত্তে … দয়া হইল।” কথাগুলির স্থলে “না কি?”
পৃ. ৫২, পংক্তি ২৩, “তিনটিকে” স্থলে “দুটিকে”।
২৫, “তাই বাঙ্গালার বৈষ্ণবেরা,” হইতে পর-পৃষ্ঠার ১২ পংক্তির “পারা যায়।” অংশটুকু নাই।
পৃ. ৫৬, পংক্তি ৪, “পরের জন্য নহে,” কথা তিনটি নাই।
১৯, “অনন্তজ্ঞানী” কথাটি “হিন্দুধর্ম্মের” কথাটির পর আছে।
পৃ. ৫৮, পংক্তি ২, “ব্রাহ্মণের মত” কথা দুইটি নাই।
৩-৬, এই পংক্তি কয়টি নাই।
পৃ. ৫৯, পংক্তি ১১, “একটা সর্ব্বনিকৃষ্ট” কথা দুইটির স্থলে “নিকৃষ্ট” আছে।
পংক্তি ১২, “ভয়ের মত” কথা দুইটির পূর্ব্বে “ভক্তিশূন্য” কথাটি আছে।
পংক্তি ১৩, “কিন্তু কদাচ” কথা দুইটির পর “অকারণ” কথাটি আছে।
পৃ. ৬৬, পংক্তি ১৩, “এই ছিদ্রেই … ভক্তিবাদী বলিলেন,” স্থলে আছে—
যে না পারে, তাহার জন্য ভক্তিমার্গ। ভক্তিবাদী বলেন,
পৃ. ৭৩, পংক্তি ১৯, এই পংক্তির শেষে “২।৪৮।“ আছে।
পৃ. ৮৬, পংক্তি ১৮, “এবং যিনি … প্রাপ্ত হন না,” কথা কয়টি নাই।
পৃ. ১০৩, পংক্তি ১০-১, “জীবন্মুক্তিই সুখ। … তত সুখ নাই।” এই অংশ নাই।
পৃ. ১২২, পংক্তি ৬-৯, “অভ্যাস ও অনুশীলনে … সর্ব্বত্র কর্ত্তব্য।” অংশটুকুর পরিবর্ত্তে আছে—
অভ্যাসজনিত বিকৃতির দৃষ্টান্তের অভাব নাই। এসকল বিচার না করিয়া উপহাস করিয়া উড়াইয়া দিলেই ভাল হয়।
পৃ. ১৩৩, পংক্তি ১৫, “শরীরকে” স্থলে “শরীরে”।
১৬, “অশ্বসঞ্চালন” স্থলে “অশ্বচালন” আছে।