কমলাকান্ত

কমলাকান্তের জোবানবন্দী

পাঠভেদ

বিভিন্ন সংস্করণে ‘কমলাকান্তের’র পাঠভেদ

এই পুস্তকের প্রথম সংস্করণ (১৬২ পৃষ্ঠা) ১৮৭৫ খ্রীষ্টাব্দে ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ নামে “কাঁটালপাড়া। বঙ্গদর্শন যন্ত্রে শ্রীউমাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্ত্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত” হয়। আখ্যা-পত্রে “বঙ্গদর্শন হইতে পুনর্মুদ্রিত” ও “প্রথম খণ্ড” ইহাও লিখিত ছিল। ‘কমলাকান্তের দপ্তরে’র “বিজ্ঞাপন” দেখিলে ইহার কারণ বুঝা যাইবে।

‘কমলাকান্তের দপ্তরে’ শ্রীভীষ্মদেব খোশনবীসের ভূমিকা সহ নিম্নলিখিত “সংখ্যা”গুলি ছিল– ১ম সংখ্যা, একা। “কে গায় ওই”; ২য় সংখ্যা, মনুষ্য ফল; ৩য় সংখ্যা, ইউটিলিটি বা দর্শন দ্বয়; ৪র্থ সংখ্যা, পতঙ্গ; ৫ম সংখ্যা, আমার মন; ৬ষ্ঠ সংখ্যা ভিন্ন লেখক প্রণীত বলিয়া পরিত্যাক্ত; ৭ম সংখ্যা, বসন্তের কোকিল; ৮ম সংখ্যাও অন্যের লেখা বলিয়া পরিত্যক্ত; ৯ম সংখ্যা, বিবাহ; ১০ম সংখ্যা, বড়বাজার; ১১শ সংখ্যা, আমার দুর্গোৎসব; ১২শ সংখ্যা, একটি গীত; ১৩শ সংখ্যা, বিড়াল।

‘কমলাকান্ত’ নামে এই পুস্তকের দ্বিতীয় সংস্করণ (২৫০ পৃষ্ঠা) ১২৯২ বঙ্গাব্দে (সেপ্টেম্বর ১৮৮৫) প্রকাশিত হয়। ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ ছাড়া ইহাতে “কমলাকান্তের পত্র” ও “কমলাকান্তের জোবানবন্দী” নামক দুইটি নূতন অংশ যোজিত হয়। ‘কমলাকান্তের দপ্তরে’রও “চন্দ্রালোকে” (অক্ষয়চন্দ্র সরকার প্রণীত) এবং “স্ত্রীলোকের রূপ” (রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় প্রণীত) নামক পরিত্যক্ত দুইটি প্রবন্ধ যুক্ত হয়।

‘কমলাকান্তে’র দ্বিতীয় সংস্করণে (১৮২ পৃষ্ঠা) ১৮৯১ খ্রীষ্টাব্দের জুলাই মাসে প্রকাশিত হয়। ১২৮৯ সালের বৈশাখ মাসে ‘বঙ্গদর্শনে’ প্রকাশিত “ঢেঁকি” প্রবন্ধটি “কমলাকান্তের দপ্তর” অংশের ১৪শ সংখ্যা হিসাবে এই সংস্করণে যুক্ত হয়।

বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ‘কমলাকান্তে’র আর কোন সংস্করণ হয় নাই।

‘কমলাকান্তে’র প্রথম ও দ্বিতীয় সংস্করণে পার্থক্য সামান্য; প্রথম সংস্করণে দপ্তরাংশের কিছু কিছু পরিত্যক্ত, পরিবর্ত্তিত ও পরিবর্দ্ধিত হইয়াছে। আমরা দপরাংশের প্রথম ও শেষ সংস্করণের এবং পরবর্ত্তী  অংশের প্রথম ও দ্বিতীয় সংস্করণের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লিপিবদ্ধ করিতেছি।

‘কমলাকান্তে’র যাবতীয় নিবন্ধই ‘বঙ্গদর্শনে’ প্রকাশিত হয়।

কমলাকান্তের দপ্তর

পৃ. ১৷৶৹, ১৫ পঙ্‌ক্তির পর ছিল– অলঙ্কার স্বরূপ সাহেবের একটি লাঙ্গুল আঁকিয়া দিয়াছিল–এবং হস্তে একটি মর্ত্তমান রম্ভা দেখা যাইতেছিল।

পৃ. ৪, ৩ পঙ্‌ক্তির ‘খাইয়া ফেলে।’ কথাগুলির পর প্রথম সংস্করণে তারকা-চিহ্ন (*) ছিল, ও ইহার পাদটীকায় ছিল– পাকের রীতি সধবার একাদশীতে সবিস্তারে লিখিত আছে।

পৃ ৪, ১৮-১৯ পঙ্‌ক্তি ‘পাকিলে সুমিষ্ট … টক যায় না।’ স্থলে ছিল– পাকিলে বড় সুমিষ্ট। কে বলিবে যে লরেন্স, রিকেট্‌স্, ফ্রিয়র, গ্রাণ্ট, ডাম্পিয়র, ফলের মধ্যে সুমিষ্ট ফল নহে? তবে,

পৃ. ৪, ২১ পঙ্‌ক্তি ‘পাকিলে পান্‌শে।’ স্থলে ছিল– ভরসা করি পাকিলেও মিষ্ট থাকিবে।

পৃ৪, ২২ পঙ্‌ক্তি ‘সেগুলি কুটিয়া … ভাল।’ এই অংশের পরিবর্ত্তে ছিল– ব্যাপারীর বড় দরকার– অমুক বাড়ীতে পাঁচ শত ফজরির প্রয়োজন– গাছপাকা আম নাই– কাঁচা ভাঙ্গিয়া জাঁতে পাকাইয়া দিল। লোকে “ইণ্ডিয়ান মুসলমান্‌স্” পড়িয়া–বিষ্ণু–আমারের চাকলা খাইয়া ধন্য২ করিতে লাগিল।

আম্র, ব্রাহ্মণভোজনে লাগে বটে, কিন্তু সকল পাতে সমান পড়ে না। অমুক জেলায় ব্রাহ্মণেরা হাত গুটাইয়া বসিয়া আছে, ওদিকে টক আম পড়িয়াছে। যে দিকে ভাল আম পড়িয়াছে– সে দিকে বড় হুশ হাস্ শব্দ শুনিতেছি– কর্ম্মকর্ত্তা ক্ষীরে কুলাইতে পারেন না।

পৃ. ৫, ১০ পঙ্‌ক্তি ‘কিন্তু দুই’ কথাগুলির পর ‘জাতীয়,–ফলজাতীয় এবং মনুষ্য-জাতীয়,’ অংশটি ছিল না।

পৃ. ৬, ১১ পঙ্‌ক্তি ‘জেন্ অষ্টেন্’-এর পর ‘বা জর্জ্জ এলিয়ট’ কথাগুলিতে সংযোজিত হইয়াছে।

পৃ. ৮, ১৬ পঙ্‌ক্তি ‘টক’ শব্দটি ছিল না।

পৃ. ৮, তৃতীয় সংখ্যার নাম ‘ইউটিলিটি বা দর্শন দ্বয়।’ ছিল; এবং ‘১। হিতবাদ দর্শন’ দিয়া আরম্ভ হইয়াছিল।

পৃ. ৮, ২০ পঙ্‌ক্তির পর নিম্নলিখিত অংশটি ছিল–

বলিতে কি, এখনকার ইউরোপের চিন্তাপ্রণালী, অর্দ্ধেক বেন্থান অর্দ্ধেক কোম্‌তের মতানুসারী। চিত্তমধ্যে এই দুই মতের সমুচিত সামঞ্জস্যই আধুনিক ইউরোপীয় সভ্যতা।

বেন্থামের পর, দুমন, মিল, অষ্টিন প্রভৃতি তাঁহার মতের সম্প্রসারণ করিয়াছেন। ঐ মতই এক্ষণে মান্য এবং গ্রাহ্য। যাঁহারা ইহা মানেন না, হিতবাদীরা বলেন, তাঁহারা হিতবাদ দর্শন সম্যক্ বুঝিতে পারেন না।

এই মতের সার কথা এই যে, যাহা হিতকর, তাহাই অনুষ্ঠের ও কর্ত্তব্য। যাহা অহিতকর তাহা বর্জ্জনীয় এবং অকর্ত্তব্য। হিতাহিত ফলোৎপাদকতা ভিন্ন কৰ্ত্তব্যাকর্ত্তব্যের অর্থাৎ পুণ্য পাপের– অন্য লক্ষণ নাই।

এই সকল দার্শনিকেরা কখন বঙ্গদেশে আইসেন নাই– আসিলে তাহাদের প্রণীত হিতবাদ শাস্ত্র এরূপ অসম্পূর্ণ থাকিত না। বাঙ্গালির মত হিতবাদী পৃথিবীতে আর কোন জাতি নাই। এ শাস্ত্র বাঙ্গালির নিকট কার্য্যে পরিণত। যাহাতে হিত বা উপকার নাই, এমত কার্য্য আমরা কখন করি না, বা করিতে সম্মত হই না।

ইউরোপীয় দার্শনিকদিগের সঙ্গে বাঙ্গালি হিতবাদীদিগের বিলক্ষণ ঐক্য আছে কিন্তু কয়েকটি প্রধান বিষয়ে অনৈক্য আছে। সেই অনৈক্য হল সংক্ষেপে নির্দ্দেশ করিতেছি।

প্রথম, ইউরোপীয়েরা বাঙ্গালির ন্যায় বলিয়া থাকেন, যাহা হিতকর তাহাই কর্তব্য। কিন্তু তাহারা আরও বলেন, যে এই হিত অর্থে জগতের হিত বুঝিতে হইবে। আমরা বলি হিত অর্থে আপনার হিত বুঝিতে হইবে। যাহাতে আপনার হিত হয়, তাহাই পুণ্য, যাহাতে নিজের অহিত তাহাই পাপ।

দ্বিতীয়। ইউরোপীয়েরা বলেন, এই “হিত” অর্থে যাহা আশু হিতকর, তাহা বুঝায় না, যাহা চরমে হিতকর তাহাই বুঝিতে হইবে। শুভাশুভ ফলানুসন্ধানে, অনন্তকাল পর্য্যবেক্ষণ করিয়া পুণ্য পাপ নির্দ্ধারণ করা কর্ত্তব্য। আমরা বলি তাহা নহে; আমি যত দিন বাঁচিব, কেবল ততদিনের মধ্যে যাহা ঘটিতে পারে তাহাই আমার আলোচ্য। আমি মরিয়া গেলে হিতাহিতের সঙ্গে আমার কি সম্বন্ধ?

আমাদের মধ্যে একটি সম্প্রদায়ের লোক আছেন, তাহারা বলেন, যে আমি যতদিন বাঁচিব ততদিনের কথাই বা কেন ভাবিব? দেখিতেছি, একটী কর্ম্ম করিলে, অদ্য সুখী হইব, এক বৎসর পরে তন্নিবন্ধন অসুখী হইবার সম্ভাবনা। কিন্তু এক বৎসর আমি বাঁচিব কি না, তাহা কে বলিতে পারে? অদ্যকার সুখ নিশ্চিত, ভাবী দুঃখ অনিশ্চিত। অতএব যাহাতে আশু সুখ তাহাই হিতকর, এবং কর্ত্তব্য।

তৃতীয়, ইউরোপীয়েরা বলেন, যে কোন কার্য্যের জগদ্ব্যাপী এবং অনন্তকাল স্থায়ী ফলাফল সচরাচর লোকে আপন বুদ্ধিতে বুঝিয়া উঠিতে পারে না; অতএব, কার্য্যের ফলাফল বিজ্ঞেরা যাহা সিদ্ধান্ত করিয়াছেন, তাহা গ্রাহ্য। বাঙ্গালি বলেন, বিজ্ঞ, আমি এবং আমার পূর্ব্বপুরুষেরা। আমাদের তুল্য বিজ্ঞ কে? অতএব আমার নিজের মত এবং স্বর্গীয় মহাশয়দিগের মত ভিন্ন আর কোন মত গ্রাহ্য করিব না। কেবল দুইটী বিষয়ে পূর্ব্বপুরুষদিগের মত অগ্রাহ্য– আহারে, এবং পরিচ্ছদে। বুট পেন্টুলন পরিব, মদ্য মাংস খাইব। আর যদি ইংরাজি না শিখিয়া একটু ইংরাজি ছড়াইতে পারি তাহা ছড়াইব। তদ্ভিন্ন পূর্ব্বপুরুষদিগের মতেই চলিব।

পৃ. ৯, ৮ পঙ্‌ক্তির পর ছিল–

২। উদর দর্শন।

পৃ. ৯, ২৪-২৫ পঙ্‌ক্তি দুইটির স্থলে নিম্নলিখিত অংশ ছিল—

“আধ্যাত্মিক” – ঋষি প্রভৃতি অনাহারে যা বায়ু ভক্ষণের দ্বারা যে উদর পূর্ত্তি করেন, তাহাকে আধ্যাত্মিক পূৰ্ত্তি বলা যায়। অথবা, যাঁহারা দাতার বাক্যে লুব্ধ হইয়া, আশায় বন্ধ হইয়া, কালযাপন করেন, তাঁহাদিগেরও আধ্যাত্মিক উদরপূর্ত্তি হয়।

পৃ. ১২, ২৬ পঙ্‌ক্তি, ‘বিধিলিপি!’ কথাটির পূর্ব্বে ‘নাচার!’ কথাটি ছিল।

পৃ. ১৬, ৮ পঙ্‌ক্তির পর ছিল– দেখিলাম, সুপকার, মাথায় গামছা বাঁধিয়া পাক করিতেছেন– তাঁহাকে যুক্তকরে বলিলাম, “হে প্রভো! এই যে আকা, উনান, বা চুলার শ্রেণী, ইহাই তোমার যমুনা, এতন্মধ্যস্থ তরঙ্গোৎক্ষেপী অগ্নি, সেই যমুনার গদ্গদনাদী বারিরাশি, তুমিই কলিকালে শ্রীনন্দনন্দন; এই হাঁড়ির শোঁ শোঁ শব্দ তোমার বংশীরব, আর তোমার যে মাথায় গামছা বাঁধা উহা চূড়ার টালনি; তোমার হাতে যে ভাতের কাটি, ঐ পাচন বাড়ি; তুমি অনেক গোরু রক্ষা কর, অতএব হে রাখালরাজ! ভক্তকে সদয় হইয়া বল, আমার মন কোথা? তুমি কি চুরি করিয়াছ?” রাখালরাজ বলিলেন, “আমি তোমার মনোহরণ করি নাই, দেখ আমার খিচুড়ির হাড়ি আঁকিয়া গিয়াছে।”

পৃ. ১৬, ৯-১০ পঙ্‌ক্তির ‘প্রসন্নের সঙ্গে…গব্যরসাত্মক।’ এই অংশের পরিবর্ত্তে ছিল– প্রসঙ্গ সম্বন্ধে আমার একটু নিন্দা ছিল বটে, কিন্তু সত্য বলিতেছি যে তাহার সঙ্গে আমার কোন দূষ্য প্রণয় ছিল না।

পু. ২১, ‘ষষ্ঠ সংখ্যা’টি ছিল না; ‘সপ্তম সংখ্যা’ * তারকা চিহ্নিত ছিল ও পাদটীকায় ছিল– * ষষ্ঠ সংখ্যা ভিন্ন লেখক প্রণীত এজন পরিত্যক্ত হইল।

পৃ. ২৯, ২২ পঙ্‌ক্তির ‘দুলালি’ স্থলে ‘নন্দদুলালি’ কথাটি ছিল।

পৃ. ২৯, ২৭ পঙ্‌ক্তির ‘ছেঁড়া’ কথাটির পর ‘ইংরেজি, যশুরে’ কথা দুইটি ছিল।

পৃ. ৩০, ১৫ পঙ্‌ক্তির ‘উচ্চ ডালে’ কথা দুইটির পূর্ব্বে ‘সম্বাদপত্রের ন্যায়’ ছিল।

পৃ. ৩১, ৭ পঙ্‌ক্তির ‘বাজে নবেল’ স্থলে “Juventus Mundi” ছিল।

পূ. ৩১, ২০-২১ পঙ্‌ক্তির ‘ঋষভ-স্বর’ স্থলে ‘ষড়্‌জধ্বনি’ ছিল।

পৃ. ৩১, ২৬ পঙ্‌ক্তির পর ছিল– তবে যদি কেহ কন্যে বউয়ের লাতি খাইয়া থাকেন, তিনি বলিলে বলিতে পারেন, পায়ের পঞ্চম ভর্ত্তার মাথা পর্য্যায় উঠিলেও মিষ্ট।

পৃ. ৩৮, নবম সংখ্যার নাম ‘ফুলের বিবাহ’ স্থলে ‘বিবাহ’ ছিল।

পৃ. ৪৩, ১৭ পঙ্‌ক্তির ‘বাড়িতেছে, তত’ কথা কয়টির পর ছিল– কলসা ফুলাইয়া, হাঁ করিয়া,

পৃ. ৪৬, ১৩ পঙ্‌ক্তির ‘আর কতকগুলি মনুষ্য’ কথা কয়টির স্থলে ছিল– দেবর্ষি তুল্য জ্যোতিৰ্ম্ময় মনুষ্যগণ

পৃ. ৪৬, ১৫, পঙ্‌ক্তির ‘এবং অবলাগণ’ কথা দুইটি ছিল না।

পৃ. ৪৭, ৭ পঙ্‌ক্তির ‘তার পরে যশের' কথা কয়টির পর ছিল– বাজারে গেলাম– দেখিলাম সে

পৃ. ৪৮, ২১ পঙ্‌ক্তির ‘উঠিতেছে।’ কথাটির পর ছিল– দিগন্ত আলো করিতেছে– আবার নিবিতেছে।

পৃ. ৫২, ১২ পঙ্‌ক্তির * তারকা চিহ্ন, ও পাদটীকা ছিল না।

পৃ. ৫৪, ১-৩ পঙ্‌ক্তি, ‘যে কারিগর … তোমায় দেখি।’ এই অংশের পরিবর্ত্তে ছিল– কোন কারিগর অভিসন্ধি করিয়া এই পরিবর্ত্তনশীল সংসার, আর এই অতৃপা নয়ন সৃজন করিয়াছিলেন কি না বলিতে পারি না; কিন্তু যদি কারিগরের কারিগরি থাকে, তবে কারিগরির উপর কারিগরি, এই বাসনা, নয়ন ভরিয়া তোমায় দেখি।

পৃ. ৫৬, ২৭ পঙ্‌ক্তির ‘বাঙ্গালা জয়’ কথা দুইটির স্থলে ‘বঙ্গাধিকার’ কথাটি ছিল।

পৃ. ৫৬, ৩০ পঙ্‌ক্তির ‘রাজলক্ষ্মী’ স্থলে ‘বঙ্গলক্ষ্মী’ ছিল।

পৃ. ৫৭, ২২ পঙ্‌ক্তির ‘দেশলক্ষ্মী’ স্থলে ‘বঙ্গলক্ষ্মী’ ছিল।

পৃ. ৫৭, ২২ পঙ্‌ক্তির পর ছিল–

যখন রন্ধনশালাতে যাই,

তুয়া বঁধু গুণ গাই,

কাব্যের ছলনা করি কাঁদি।

পৃ. ৬০, ৩ পঙ্‌ক্তির ‘ভার্য্যার সহোদর’ কথা দুইটির পর ছিল— বংশজের নিকট কুলীন জামাতা,

পৃ. ৬১, ১৮ পঙ্‌ক্তির ‘কমলাকান্তের’ স্থলে ‘কমলাকান্ত পাদ্রির’ কথা দুইটি ছিল।

পৃ. ৬৭, পাদটীকায় নিম্নোক্ত অংশ ছিল না– যখন এই পত্রগুলি… সঞ্জীববাবু ইহার সম্পাদক।

পৃ. ৬৯, ১৮ পঙ্‌ক্তির ‘ডারুইন যে বলেন,’ কথা কয়টির পর ছিল— (বলেন কি না, তাহা ঈশ্বর জানেন)

পৃ. ৮০ ৭ পঙ্‌ক্তির ‘হিন্দুশাস্ত্রের বশবর্ত্তী হইয়া’ এই কথা তিনটির স্থলে নিম্নলিখিত শ্লোকটি ছিল–

“শৈশবেঽভ্যস্তবিদ্যানাং

যৌবনে বিষয়ৈষিণাং।

বার্দ্ধকে মুনিবৃত্তীনাং

যোগেনান্তে তনুত্যজাম্॥”

পৃ. ৮০, ২৩ পঙ্‌ক্তির ‘ফ্রেডেরিক’ কথাটির পর ‘উইলিয়ম’ কথাটি ছিল।

পৃ. ৮৩, ৪-৫ পঙ্‌ক্তির ‘কোথায় জানি না… কোথায় জানি না’ এই কথা কয়টির পরিবর্ত্তে ছিল– গোয়ালিনী নাই– তাহার সে মঙ্গলা গাভী নাই।

পৃ. ৯৭, ২০ পঙ্‌ক্তি, ‘রণজিৎ সিংহ' স্থলে 'নাপোলেওঁ’ ছিল।

২০-২১ পঙ্‌ক্তি, ‘Right of Conquest…right নয়?’ কথা কয়টি ছিল না।

২২-২৩ পঙ্‌ক্তি, ‘ঐতিহাসিক রাজনীতির অনুবর্ত্তী হও।’ কথা কয়টি ছিল না।